অয়ন: রিম্পা, একটা ব্যাপার বল। ফেসবুক বা ওয়েডিং পোর্টালগুলো থেকে ক্লায়েন্ট এলে অনেক সময় মাঝখানে মিডলম্যান বা এজেন্সি থাকে। আমার লাভের একটা বড় অংশ তারা নিয়ে নেয়। ব্লগ থেকে কি সরাসরি ক্লায়েন্ট পাওয়া সম্ভব?
রিম্পা: অবশ্যই সম্ভব, আর এটাই ব্লগের সবচেয়ে বড় আর্থিক সুবিধা। সোশ্যাল মিডিয়া বা পোর্টালগুলো হলো থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু ব্লগ হলো তোমার নিজের জায়গা। সেখানে তোমার কাজের সম্পূর্ণ প্রোফাইল এবং সরাসরি যোগাযোগের ফর্ম থাকবে।
অয়ন: তার মানে ক্লায়েন্ট সরাসরি আমার ব্লগে এসে আমার সাথে কথা বলবে?
রিম্পা: ঠিক তাই। তোমার ব্লগ পড়ে যদি কারো মনে হয় তুমি তাদের বিয়ের জন্য উপযুক্ত মানুষ, তারা সরাসরি তোমার ব্লগের কন্ট্যাক্ট ফর্ম পূরণ করে তোমার সাথে যোগাযোগ করবে। মাঝখানে কোনো থার্ড পার্টি থাকবে না, কোনো কমিশন দিতে হবে না। তোমার তৈরি করা ব্র্যান্ড ভ্যালু সম্পূর্ণভাবে তোমারই থাকবে।
অয়ন: কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে এখনই ব্লগ লেখা শুরু করে দিই। কিন্তু পুরনো কাজগুলো তো সব হার্ডড্রাইভে পড়ে আছে।
রিম্পা: পুরনো সেরা কাজগুলো দিয়েই তো শুরু করবে। ব্লগ হলো তোমার নিজের কাজের একটা সাজানো গোছানো আর্কাইভ। হার্ডড্রাইভে ছবিগুলো অগোছালো পড়ে থাকে, কিন্তু ব্লগে তুমি সেগুলোকে সাল বা ইভেন্ট অনুযায়ী সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে পারবে।
অয়ন: হ্যাঁ, এটা খুব দরকার। ক্লায়েন্টরা পুরনো কাজ দেখতে চাইলে আমাকে ড্রাইভের লিঙ্ক দিতে হয়, যা দেখতে খুব একটা প্রফেশনাল লাগে না।
রিম্পা: কারুওয়েবের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ফটোগ্রাফার বা আর্টিস্টদের জন্য খুব সুন্দর লেআউট তৈরি করে দেয়। সেখানে তুমি তোমার পুরনো কাজগুলো গল্পের আকারে তুলে রাখতে পারো। শুধু ছবি নয়, ছবির সাথে জুড়ে থাকা আবেগ আর গল্পগুলোও চিরকালের জন্য তোমার নিজস্ব ঠিকানায় সংরক্ষিত হয়ে থাকবে। তুমি যখনই কাউকে তোমার ব্লগের লিঙ্ক দেবে, সেটা তোমার পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করবে।


ডিজিট্যাল পরামর্শদাতা